স্বাধীনতা
পরবর্তী সময়ে অত্র এলাকায় মহাপুরুষ স্বামী নিগমানন্দ মতাদর্শ অনুসারী মহারাজ ও অদুত্যানন্দ
স্বরস্বতী সনাতন ধর্ম প্রচার করতেন। তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে কুর্শ ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের নিঃসন্তান স্বগীয়া সুখময়ী রানী ৩৬ শতাংশ জমি
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্য দান করেন।
আশি
দশকের শুরুতে মহারাজ অদুত্যানন্দ স্বরস্বতী পরলোকগমন করলে এ অঞ্চলে মহারাজ
অচুত্তান্দ স্বরস্বতী (ময়মনসিংহ জেলায় তার জন্মস্থান)ও তার সুকুমার
ব্রক্ষাচারী (গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে তার জন্মস্থান) সনাতন ধর্ম প্রচার ও দীক্ষা প্রদান
করতেন। বাংলা ১৩৯২ মোতাবেক ১৯৮৫ সালে তারা কুর্শা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে একটি সম্মেলনের আয়োজন করেন। উক্ত সম্মেলনে তারা মহাপুরুষ স্বামী নিগমানন্দ মতাদর্শ অনুসারে একটি আশ্রম স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পরে অত্র এলাকার সনাতন ধর্মালম্বী সম্প্রদায় স্বগীয়া সুখময়ী রানীর দানকরা জমিতে আশ্রম স্থাপন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অতঃপর
বাংলার ১৩৯৪ মোতাবেক ১৯৮৬ সালে অক্ষয় তিথির দিন খুবই ছোট পরিসরে আশ্রমের উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে স্বগীয়া সুখময়ী রানীর ভাতিজা ৬ শতাংশ, স্থানীয়
সনাতন ধর্মালম্বী তরনী মোহন ৬ শতাংশ , সুরিন,
উপিন ও গিরিশ মিলে
১২ শতাংশ জমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে দান করেন এবং আরও পরে ২৬শতাংশ জমি আশ্রম তহবিল দ্বারা ক্রয় করা হলে মোট জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৬ শতাংশ।
বর্তমানে
এই আশ্রমে ১টি মূল প্রবেশ দাঁড়, ১টি নাট মন্দির, স্থায়ী ভক্ত নিবাস ১০ টি কক্ষ,
অস্থায়ী ভক্ত নিবাস (পুরুষ) ১টি, অস্থায়ী ভক্ত নিবাস (নারী)১টি, উম্মুক্ত সভা মঞ্চ ১টি, কালী মন্দির/ দূর্গা মন্দির ১টি রয়েছে।
প্রতিবছর
২(দুই) বার এই আশ্রমে সনাতন
ধর্মের মহাপুরুষ স্বামী নিগমানন্দ মতাদর্শ অনুসারীগণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনসমূহে স্থানীয় ভক্ত বৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজন এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশী ভক্তবৃন্দ ও অংশগ্রহণ করেন।